দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডিএনএ সংগ্রহ এবং ডোপ টেস্ট করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকাল ১০টায় সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরপিএমপি) কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ।
এর আগে মঙ্গলবার রাতে রংপুরের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের কাছে জবানবন্দি দেন গ্রেপ্তার দুই আসামির বন্ধু সীমান্ত দাস।
মামলার নতুন তদন্ত কর্মকর্তা রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পরিদর্শক জিন্নাত আলী জানান, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে সাক্ষী হিসেবে সীমান্তের জবানবন্দি রেকর্ড করতে আদালতে আবেদন করা হয়েছিল। মঙ্গলবার বাবার সঙ্গে আদালতে এসে তিনি জবানবন্দি দেন।
তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, সীমান্ত আদালতে যে বর্ণনা দিয়েছেন, তা গ্রেপ্তার দুই আসামি মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থের দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির সঙ্গে মিলে গেছে। ঘটনার রাতে আসামিরা সীমান্তের বাসায় গিয়ে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে যে তথ্য দিয়েছেন, সীমান্তও আদালতে একই তথ্য জানিয়েছেন।
গত রোববার দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের পর সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানিয়েছিল, হত্যাকাণ্ডের রাতে সীমান্তের বাড়িতে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ মাদক সেবন করেছিলেন।
নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী গত রোববার রংপুর কোতোয়ালি থানায় বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। প্রথমে কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন চ্যাটার্জি মামলাটি তদন্ত করছিলেন। পরে গত সোমবার রাতে তদন্তভার ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়।
গত শনিবার রাতে রংপুর নগরের কামাল কাছনা এলাকার মাছুয়াপাড়ার একটি বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এমএম/